শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১১
বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১১
ইরানে হামলার প্রস্তুতি !!!
ইরানে পরমাণু কর্মসূচি সমপ্রসারিত হচ্ছে এই অভিযোগে দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ইসরাইল যৌথভাবে হামলার নীলনকশা প্রণয়ন করছে। মুয়াম্মার গাদ্দাফি নিহত হওয়ার পর পশ্চিমা শক্তিগুলো হঠাৎ করেই ইরানকে টার্গেট করেছে, এতে মধ্যপ্রাচ্য পরিসি'তি জটিল হয়ে উঠছে। ইরান জানিয়েছে, যেকোনো হামলা মোকাবেলায় তারা ‘পূর্ণ প্রস'ত’ রয়েছে। খবর ডেইলি মেইল, গার্ডিয়ান, ইউএস টুডে ও অন্যান্য সূত্রের।
ব্রিটেন ও ইসরাইলের বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী পত্রিকা গতকাল জানায়, ইরান চারটি পরমাণু অস্ত্র নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে- এই খবরের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন যুদ্ধের প্রস'তি নিচ্ছেন। ইসরাইলও খুব দেরি হওয়ার আগেই ইরানে হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে প্ররোচিত করছে। ইসরাইলের প্রভাবশালী পত্রিকা হারেজ জানায়, হামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি, তবে ৮ নভেম্বরের পরে হঠাৎ করেই যেকোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করা হতে পারে।
ব্রিটেনের ডেইলি মেইল জানায়, আফগানিস্তান ও লিবিয়া যুদ্ধের কারণে ব্রিটেন চাপের মুখে থাকলেও ইরান হামলায় তারা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে থাকবে।
বিদেশ সফরে দীপু মনির সেঞ্চুরি : অর্জন শূন্য !!!
বিদেশ সফরে সেঞ্চুরি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ১০১তম সফরে তিনি গতকাল রাতে সৌদি আরব গেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর গত ৩৪ মাসে তিনি প্রায় ১৩ মাস কাটিয়েছেন বিদেশের মাটিতে। রেকর্ড গড়া এই বিদেশ সফরে দেশের জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য অর্জন নেই। বাংলাদেশের আগের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিদেশ সফরের রেকর্ড অনেক আগেই ভেঙেছেন ডা. দীপু মনি। শুধু রেকর্ড গড়া বিদেশ সফর নয়, নানা কারণে আলোচিতও তিনি। বিভিন্ন সময়ে দায়িত্বহীন বক্তব্য দিয়ে সমালোচিত হয়েছেন তিনি। বিদেশ ভ্রমণ ছাড়া তার আর কোনো কাজ আছে কিনা—এমন প্রশ্ন হরহামেশাই তোলা হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে।
গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিদেশ সফর সম্পর্কে বলেন, আমরা এখন আর কোনো হিসাব রাখি না।
৯৭তম সফর পর্যন্ত হিসাব ছিল। এখন আর রাখছি না। মন্ত্রী তো কোনো একটা দাওয়াত পেলেই বিমানে চড়ে বসেন। দেশের জন্য তেমন কোনো ফল আসে না এসব সফর থেকে।
গত ১৯ অক্টোবর ফটোগ্রাফার হিসেবে ডা. দীপু মনিকে দেখা গেছে। তিনি ছবি তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। দেখা যায়, এ সময় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ছবি তোলার দৃশ্য কয়েকটি টিভি চ্যানেলে প্রচার হয়। এটা নিয়ে বেশ আলোচনাও হয়েছে।
এর আগে একবার বিদেশের মাটিতে তিনি সবার নজর কাড়েন অটোগ্রাফ শিকারি হিসেবে। ২০১০ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লি সফরে যান। ওই সফরে প্রধানমন্ত্রীকে ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার দেয়া হয়। ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিল রাষ্ট্রপতি ভবনে ওই পুরস্কার প্রদান করেন। ওই অনুষ্ঠানে দীপু মনিকে দেখা গেল অটোগ্রাফ শিকারি হিসেবে। সেই ভরা মজলিসে সবাই দেখলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিভা পাতিল, সোনিয়া গান্ধী এবং ড. মনমোহন সিংয়ের অটোগ্রাফ সংগ্রহ করছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেদিন অটোগ্রাফগুলো নিয়েছিলেন আমন্ত্রণপত্রের ওপর। এছাড়া সম্প্রতি তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি গণক নই। এই গণক নিয়ে এখনও আলোচনা হয়। তবে তিনি গণক না হলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি যে ব্যর্থ তা বিভিন্ন মহল থেকে উচ্চারিত হচ্ছে। অনেকে তাকে ভ্রমণপ্রিয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন।
বাংলাদেশবিরোধী প্রচার ও একটি ছবি ।
একটি ছবিকে কেন্দ্র করে ১১ বছর ধরে ইসলাম ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অপপ্রচার চলছে সারা বিশ্বে শত শত ওয়েবসাইটে। বায়তুল মোকররম জাতীয় মসজিদে একটি ইসলামি রাজনৈতিক দলের কর্মীদের দ্বারা দুইজন সাধারণ মুসল্লির ওপর নির্যাতনের ছবির নিচে সম্পূর্ণ মিথ্যা ক্যাপশনে লিখে এ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে ছবির বিবরণে লেখা হয়েছে- ‘ইসলাম ধর্ম গ্রহণ না করায় বাংলাদেশের মোল্লারা মসজিদের মধ্যে একজন হিন্দুকে পিটিয়ে হত্যা করছে। হিন্দু লোকটি বাঁচার জন্য প্রাণ ভিক্ষা চাইছে। কিন্তু তারা তাকে কাফির বলে আঘাত করল এবং সে নির্মমভাবে মারা গেল।’
২০০০ সালের ১০ জুন তৎকালীন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের কর্মীদের সাথে সংঘর্ষ বাধে দেওয়ানবাগী অনুসারীদের। বায়তুল মোকাররম মসজিদে আসরের নামাজের পর এ সংঘর্ষের সময় ইসলমী শাসনতন্ত্র কর্মীদের হাতে নির্যাতানের শিকার হন নূরে আলম সিদ্দিকী এবং গোলাম কুদ্দুস নামে দুজন মুসল্লি। হামলা ও নির্যাতনের সে ছবি ও খবর পরের দিন ১১ জুন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করা হয়। কিন' ষড়যন্ত্রকারীরা এই ছবিটিকে বেছে নেয় ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের জন্য। তারা প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে ছবিটির নিচে ক্যাপশন লেখে- ‘বাংলাদেশের মুসলমানেরা মসজিদে একজন হিন্দুকে পেটাচ্ছে। তিনি বাড়ি যাওয়ার সময় মসজিদের বাইরে ধরা পড়েন। শুক্রবার নামাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথেই প্রথম যে হিন্দুকে পাওয়া যায় তাকেই ধরে ফেলে মোল্লারা। এমনি একজন হচ্ছেন বিমল পাঠক। তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে নিহত হওয়ার আগ পর্যন- পেটাতেই থাকে মোল্লারা, আর বলতে থাকে, হত্যা কর এই কাফিরকে। তাকে হাত বাঁধা অবস্থায় হত্যা করা হয়, যদিও বিমল বাঁচার জন্য আকুল আবেদন করে।’
শত শত ওয়েবসাইটে ষড়যন্ত্রকারীরা এভাবে ছবিটির মিথ্যা ক্যাপশন লিখে প্রচারণা চালাচ্ছে। নূরে আলম সিদ্দিকী নামের নির্যাতনের শিকার ওই মুসল্লির তারা নাম দিয়েছে বিমল পাঠক।। ছবিটিকে বীভৎস করার জন্য তারা নির্যাতনের শিকার মুসল্লির মুখে ও ফ্লোরে রঙ লাগিয়েছে। ছবির মিথ্যা বিবরণের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে হিন্দুদের সমূলে উৎখাত করা, হিন্দুদের ওপর নির্যাতন, তাদের জোর করে মুসলমান বানানোসহ নানা বিষয়ে সম্পূর্ণ মনগড়া মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হয়েছে ওই সব ওয়েবসাইটে। বাংলাদেশকে একটি বর্বর, সামপ্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরার পাশাপাশি এটিই ইসলামের আসল চেহারা বলে নানা ব্যঙ্গ-বিদ্রূপজাতীয় মন্তব্য করা হচ্ছে। মজার বিষয় হলো, ভিন্ন ভিন্ন ওয়েবসাইটে ছবিটি প্রকাশ করা হলেও সব ওয়েবসাইটে ছবিটির নিচে হুবহু একই ক্যাপশন লেখা। এতে বোঝা যাচ্ছে, একটি চিহ্নিত মহল পরিকল্পিতভাবে এ ছবিটি সর্বত্র ছড়িয়ে দিয়েছে।
বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০১১
জেলহত্যা দিবস আজ ।
আজ ৩রা নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। বিশ্বমানবতা ও গণতন্ত্রের ইতিহাসে এ এক বর্বরতম অধ্যায়। ১৯৭৫ সালের এই দিনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী চার জাতীয় নেতাকে কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে হত্যা করে ঘাতকের দল। রাষ্ট্রীয় হেফাজতে কারাগারের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা অবস্থায় এ ধরনের বর্বর হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। ঘাতকচক্র ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নিভৃত প্রকোষ্ঠে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চার সহচর, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার মুজিবনগর প্রবাসী বিপ্লবী সরকারের অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ, মন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী এবং মোহাম্মদ কামারুজ্জামানকে গুলি করে হত্যা করে।
সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১১
নির্বাচিত করার মত নেতা আছে কি ? (পর্ব-ক)
কেউ আপনাকে যদি দুটি নষ্ট ফল দিয়ে বলে যে এগুলোর মধ্যে যেটি ভালো সেটি কে বেছে নিন। তবে আপনি কোনটি কে বেছে নিবেন? কি অবাক হলেন ? যে “দুটি ফলই যদি নষ্ট হয়ে তবে এর মাঝে ভালো পাবো কোথা থেকে ?” তাই তো “দুটি ফলই যদি নষ্ট হয়ে তবে ভালো পাবোটা কোথায় ?আর যদি আপনাকে বলা হয় “আনুপাতিক হারে যেটা ভালো সেটাকে বেছে নিন” তা-ও কি আদৌ সম্ভব? বা সম্ভব হলে ও যেটাকে আপনি বেছে নিলেন সেটাযে আনুপাতিক হারে ভালো হবে তার নিশ্চয়তা কি?
এবার আসুন কিছু পর্যালোচনা করা যাক।বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৪০ বছর এটা সবারই কম-বেশি জানা। নানান বাধা-বিপত্তি অপতৎপরতার মধ্য দিয়ে আমরা স্বাধীনাতর ৪০ বছরে পর্দাপন করলাম।কিন্তু একটু ভাবুন আমরা কতটুকু স্বাধীন হয়েছি। বা বাংলাদেশ তো স্বাধীন হয়েছে, বাংলাদেশের সাধারন গন-মানুষ কি আদৌ স্বাধীনতার ফল উপভোগ করেছে ? সাবেক ভারত উপমহাদেশ বর্তমানে তিনটি দেশে বিভক্ত
০১.বাংলাদেশ।
০২.ভারত।
০৩.পাকিস্তান।
এদের মধ্যে শেষের দুটি দেশের স্বাধীনতা ব্রিটিশরা দয়া কিংবা অনুকম্পা অথবা না-পেরে স্বাধীনতা দিয়ে গেছে।কিন্তু বাংলাদেশের ভাষা, স্বাধীনতার ব্যাপারটা কি তাই ? মোটেও না। আমরা রীতি মতো নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মধ্যদিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি।বুকের তাজা রক্তে বিনিময় ভাষাকে অক্ষত রেখেছি।ফলে আমাদের সাবোর্ভৌমত্ব রক্ষার তাগিদ বা গনতন্ত্র রক্ষার তাগিদ স্বভাবত-ই অন্যদেশের তুলনায় বেশি হবার কথা। কিন্তু বাস্তবে কি তাই হচ্ছে বা বাস্তব চিত্র কি তার কোন প্রমান দেয়?
এবার আসা যাক নাসিক(নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন) নির্বাচন প্রসঙ্গে। মেয়য় পদে প্রার্থী সংখ্যা “ছয়” গুরুত্বপূর্ন বা হেবি ওয়েট প্রার্থী “তিন”।এর মধ্যে বি.এন,পি পন্থি “এক ” ও আওয়ামী পন্থি “দুই” ।আমি একটু বলছি নির্বাচন পূর্ব এই তিন প্রার্থীর টক-শো ব্যপারে। এরা তিন জন-ই বেশ কয়েকটি টক-শোতে একই সাথে ছিলেন। বাংলাভিশনে প্রচারিত (২৮-অক্টোবর-১১ সন্ধ্যা)নির্বাচনী সংলাপ অনুষ্ঠানের সম্পর্কে বলছি।সেখানে দেখলাম শামীম ওসামন বেশ কিছু ছবি ও কাগজ পত্র সমতে বেশ পান্ডিত্য জাহির করে কথা শুধাচ্ছেন ডাঃ সেলিনা হায়াত আইভি-কে।এবং তার মধ্যে যে প্রপাগান্ডা বেশ লক্ষ্য করলাম তা হলো তিনি একটি বিশেষ ধর্ম(যা বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষের ধর্ম)কে প্রাধান্য দিয়ে কথা বলছিলেন।তিনি এও বলেন যে সাধারন মুসুল্লি ভোটারা নাকি তাকে বলেছে বা দায়িত্ব দিয়েছে নারায়নগঞ্জকে সন্ত্রাসের কলঙ্কমুক্ত করতে(যাকে বলে শিয়ালের কাছ মুরগি বাগা)।এমন কিছু ব্যপারে প্রশ্ন করছিলেন যার উত্তর ডাঃ আইভি দেবার পর ওই ব্যপার গুলোতে তিনি কথাই বলতে চাইছিলেন না।আর তৈমুর আলাম খন্দকার তো কথা বললেন একটাই “বি,আর,টি,সি তে আমার ক্ষমতা ছিলো আমি নারায়নগঞ্জের ১০০০ জন কে নিয়োগ দিয়েছি।ভবিষ্যতে ও এমন সুযোগ এলে ৩০০০ জন কে নিয়োগ দিব। বাহ নেতা বাহ।
প্রথমে বলছি জানি স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় সমর্থন অযৌক্তিক তারপর ও বেশ ঘটা করেই সমর্থন দেয় তো হল-ই ,তারপর দলীয় সমর্থনের চোটে প্রার্থীতা ও প্রত্যাহার হলো (লজ্জা)।তো বি.এন.পি-র প্রার্থী কয়জন ছিলেন জানি না তবে বিনা নাটকে সমর্থন পেল একজন ই।আর আওয়ামীলীগ দেখালো নাটক যা আমাদের সবার ই জানা।একটা কথা পরিষ্কার করি,এই তিন গুরুত্ব পূর্ন প্রার্থীর মধ্যে গুরুত্ব-পূর্ন একজন ই ছিলো, তা বোঝা সত্ত্বে ও আওয়ামীলীগ সমর্থন দিলো তাকে যে দলীয় সমর্থন পেয়েও দলকে বা দলের গর্বকে ম্লান করলো জঙ্গী হামলার কথা বলো(যা এখন পর্যন্ত এই সরকার তাদের সাফল্য বলে দাবী করে)।দেখুন আওয়ামী লীগ বা বি.এন.পি যাদের দলীয় সমর্থন দিলো তারা কি আদৌ জননেতা ? গনমানুষের নেতা ? যদি তারা জনগনের নেতাই হতেন তবে কি দলীয় সিধান্তের উপরে তারা নির্ভরশীল হতেন ? এই নিবার্চন-টা ইলেকট্রনিক-প্রিন্ট মিডিয়া ভালোভাবে কাভার করায় আমরা সারা দেশের মানুষ এ নির্বাচনের খুটিনাটি ভালোভাবে দেখার বা জানার সুযোগ পেয়েছে।
(চলবে)
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)






