বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১১

Interpol এর wanted terrorist আওয়ামীলীগের পার্থী শামীম ওসমানের আমলনামা ।

১৯৯৬-২০০১ সালে ম্যাডাম হাসিনার আর্শীবাদে দৈনিক শুধুমাত্র চাদাঁই পেতাম ৩ লক্ষ টাকা। আমার সোনার বাহিনীর সারোয়ার, লাল, মাকসুদ, অগা মিঠু এরা সবাই আমার আশীর্বাদে কোটিপতি হয়েছে সে সময়। আপনাদের দোয়ায় সে সময় নারায়ণগঞ্জ শহরের জামতলায় সম্পূর্ণ বিদেশী ফিটিংসে আমি একটি গরীবখানা তৈরি করি। জমির দাম সহ খরচ হয়েছিল ১০ কোটি টাকার মত।

২০০১ সালের সর্ব চেষ্টা করা সত্ত্বেও জোট প্রার্থী গিয়াস উদ্দিনের কাছে হেরে যাই আমি। পরাজয়ের গ্লানি ভুলতে প্রথমে ভারতে, পরে কানাডায় গিয়ে আশ্রয় নেই। ২০০৬ সালের ২৬ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জে ফিরে আমি হাল্কা একটু শো-ডাউনের আয়োজন করি। নেত্রীর নজর পাওয়া নিয়ে কথা। ২২ জানুয়ারি ২০০৬ সালের বাতিল হওয়া নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ - ৪ আসন থেকে মহাজোটের মনোনয়নও পাই আমি। কিন্তু বিধি বাম। ২২ জানুয়ারি ২০০৬ সালের নির্বাচন বাতিল হয়ে গেলে ও দেশে জরুরী অবস্থা জারি হলে তিনি আবারও আমি কানাডাতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হই। সে সময়কার জালেম সরকার পলাতক অবস্থায় আমার বিরুদ্ধে মামলায় ৭ বছরের সাজা দেয়। ইন্টারপোল এই সময় জালিয়াতী করে আমার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে।

আপনাদের মনে থাকবে নিশ্চয়ই ১৯৯৮ সালের ৯ জুন তৎকালীন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে লংমার্চ চলাকালে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে আমার একক প্রচেষ্টায় আমি লংমার্চ আটকিয়ে দেই। কিছু উচ্ছৃংখল লোকজন এই সময় হতাহত হয় অবশ্য।

বিগত সংসদ নির্বাচনে আইনি প‌্যাঁচে আমাকে লেঙ্গি মক্ষীরাণী কবরী সংসদে যায়। সুযোগ পাওয়া মাত্রই আমি এর শোধ নিয়েছি। আরো নেব সামনে।
এখন এসেছে সেই সুযোগ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ম্যানেজ করেছি। কিছু টাকা পয়সা খরচ হয়েছে, কিন্তু এইসব হাতের ময়লা। মেয়র হলে ৬ মাসেই খরচ উঠে যাবে। কূটনী আইভী আর জামাতি তৈমুর লং কে বাদ দিয়ে আপনারা সবাই আমাকে ভোট দিন।

জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু। জয় জয়।

courtesy :somewhereinblog.

মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১১

সৈয়দ আবুল হোসেনের মন্ত্রী হওয়ার আসল কাহিনী ।



বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যখন বিরোধী দলীয় নেত্রী ছিলেন, তখন ২০০৫/৬ সালে একবার চীন ভ্রমণে গেলে উনার ভ্রমণ সঙ্গী ছিলেন ওবায়দুল কাদের, সাবের হোসেন চৌধুরী এবং মহামান্য আবুল সাহেব। চীনের হ্যানজো প্রদেশের ওয়েস্ট লেকে গিয়েছিলেন ঘুরতে। প্রধানমন্ত্রী আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেশ স্মার্ট এবং চনমনে। এই ধরুন গান গাওয়া, কবিতা আবৃত্তি কিংবা দলের লোকজনকে নিয়ে আড্ডায় বসলে হাস্যরস করা- এসব তিনি বেশ পছন্দ করেন। ওয়েস্ট লেকে ঘুরতে গিয়ে উনার সেরকমই একটি ইচ্ছে হলো। সঙ্গীদের বললেন একটি বাঁশি ম্যানেজ করতে। বাঁশি পাওয়ার পর একটি যায়গা দেখিয়ে বললেন,, "আমি বাঁশিতে একটি ফু দিবো। ফু দেয়ার সাথে সাথে তোমরা দৌড় দিবে। যে আগে পৌঁছুতে পারবে, আমি ক্ষমতায় গেলে তাকে মন্ত্রী বানাবো।" ওবায়দুল কাদের এবং সাবের হোসেন এমনিতেই এসব দৌড়া দৌড়ি কিংবা দুষ্টুমিতে বেশ আগ্রহী। কিন্তু সৈয়দ আবুল বেশ সিরিয়াস হয়ে প্রাণপণ দৌড় দিয়ে সবার আগে পৌঁছে গেলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীকে স্মরণ করিয়ে দিলেন তার প্রতিশ্রুতির কথা। প্রধানমন্ত্রী তাকে বললেন, "আরে মিয়া, আমিতো দুষ্টুমি করলাম।" কিন্তু সৈয়দ আবুল বেশ সিরিয়াস। চীন থেকে ফিরে এসে সবাইকে বলতে থাকলেন, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে তিনি মন্ত্রী হবেন। এবং সেটা যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী। দল ক্ষমতায় আসার পর এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চরম মাত্রায় বিরক্ত করে অবশেষ ব্ল্যাকমেইল করতে সক্ষম হলেন !

পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতি !!!

পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান কমে যাওয়ার মূল কারণ হিসেবে রাজনীতিকেই দূষছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। আর তাই রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে রাজনীতিমুক্ত করতে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে প্রেসিডেন্সি ছাড়া রাজ্যের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট আইন বদলের জন্য অর্ডিন্যান্সে স্বাক্ষর করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। বুধবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে তা পেশ করা হবে। এরপর এই অর্ডিন্যান্স যাবে রাজ্যপালের অনুমোদনের জন্য।

রাজ্যপালের অনুমোদন পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতির দীর্ঘ ঐতিহ্যের ইতি ঘটবে।

BTV এর চরম অব্যবস্থাপনা ।

BTV এর চরম অব্যবস্থাপনার কথা আমরা সবাই কম বেশি জানি কিন্তু আজ যেন তাদের মস্তিষ্ক বিভ্রাট ঘটেছে ! বাংলাদেশ এর খেলা চলাকালিন সময়ে বোলার নাছির হোসেন এর হ্যাট্রিক বল হয়ে যাওয়ার পর আমরা তা দেখতে পেলাম,ইমরুল,নাফিস এর উইকেট পরে যাওয়ার পর বিজ্ঞাপন থেকে পরিত্রাণ পাওয়া গেল আবার এমনও আজ দেখা গেল ওভার চলা অবস্থায় বিজ্ঞাপন !!! প্রায়ই দেখা গেল ১ বল পর সম্প্রচারে ফিরতে ! এ কোন গজব ! অব্যবস্থাপনার একটা মাত্রা আছে তারা দেখছি সেই মাত্রাকেও ওভার বাউন্ডারি মারতে দ্বিধা বোধ করছে না !

সোমবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১১

সন্তানের কাছে বাবা-মা'র " একটি চিঠি " ( প্লিজ পড়ুন )

প্রিয় সন্তান,
…………

আমি যখন বার্ধক্য উপনীত হবো…আমি আশা করবো..”তুমি আমাকে বুঝবে এবং আমার সাথে ধৈর্যশীল হবে”

ধরো আমি যদি হঠাৎ থালা ভেঙ্গে ফেলি,অথবা টেবিলে স্যুপ ফেলে নষ্ট করি…..কারণ আমি আমার দৃষ্টিশক্তি হরিয়ে ফেলছি….আশা করি তুমি আমার প্রতি চিৎকার করবে না

বয়স্ক মানুষ খুব স্পর্শকাতর……….

তুমি যখন চিৎকার করে কথা বলো তখন তারা নিজের কাছে খুব ছোট হয়ে যায় , অসহায় আর অপরাধী মনে করে নিজেকে।।

যখন আমার শ্রবণশক্তি শেষ হয়ে আসছে…এবং আমি শুনতে পাচ্ছি না তুমি কী বলছ!!

তোমার তখন আমাকে “বধির” বলা উচিৎ নয়।
দয়া করে তুমি পুনরায় বলো অথবা লিখে দেখাও

আমি দুঃখিত বাবা………….আমি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছি……..আমার পা দুর্বল হয়ে আসে

আমি মনে মনে চাই তোমার সে ধৈর্য থাকবে আমাকে দাঁড়াতে সাহায্য করার জন্য।
যেভাবে আমি তোমার পাশে ছিলাম, যখন তুমি ছোট ছিলে……… হাঁটতে শিখছিলে পা পা করে….

আমার কথা শুনো…….

যখন আমি অসহায়ের মত তোমার নিকট কথা বলবো…. ভাঙা রেকর্ডের মতো ….

আমি চাইবো তুমি শুধু আমার কথাটুকু শুনবে..
আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করো না…. অথবা আমার কথা শুনে বিরক্ত হয়ো না……….

তোমর মনে আছে??

তুমি ছোট থাকতে আমার কাছে একটা বেলুন চেয়েছিলে!!!!!
সেটা না পাওয়া পর্যন্ত তুমি বারবার আমাকে সেটাই বলতে….. সারাক্ষণ জিজ্ঞেস করতে.. “কখন দেবে কখন দেবে…………..”

এবং আমার গন্ধ সহ্য করো
বৃদ্ধের মতই আমার গন্ধ হবে…..
এজন্য….

দয়া করে আমাকে গোসল করার জন্য জোর করোনা
আমার শরীর দুর্বল
ঠাণ্ডায় বয়স্ক মানুষেরা খুব তাড়াতাড়ি অসুস্থ হয়ে পড়ে….
আমার আশা আমি তোমকে অমার্জিত করি নি

তুমি যখন ছোট ছিলে…আমাকে তোমার পেছনে দৌড়াতে হতো… কারণ তুমি গোসল করতে চাইতে না
আমি যখন সহজে রেগে যাই..
এটা বয়স্ক হবার একটা সাধারণ দোষ,

বার্ধক্য আসলে তুমি নিজেই বুঝতে পারবে।।
আর যখন তোমার অলস সময় থাকবে

আমি আশা করবো তুমি আমার সাথে একটু সময়ের জন্য হলেও কথা বলো……..
আমি এ সময়ে সর্বদা একাকীত্বে ভুগি এবং কথা বলার মানুষ পাই না ।
আমি জানি তুমি ব্যস্ত থাকো কাজের মাঝে..
যদিও তুমি আমার কথায় ও গল্পে আনন্দ না পাও..
আমার জন্য কিছু সময় রেখো

তুমি যখন ছোট ছিলে তোমার কী মনে পড়ে??
তোমার টেডি বিয়ারের কথাও আমি শুনতাম….

যখন সময় আসবে আমি অসুস্থ হয়ে পড়বো এবং
বিছানায় শায়িত হয়ে পড়বো
তুমি কী আমার যত্ন করার মতো ধৈর্য রাখবে??

আমি আশা করি তুমি এটুকু ধৈর্য রাখবে জীবনের শেষ মুহূর্তগুলোতে আমাকে দেখে রাখার জন্য…

আমি আর বেশিদিন বেঁচে থাকব না,
………..
যাই হোক………..
যখন আমার মৃত্যু আসবে..
তুমি কী আমার হাত ধরে থাকবে না; যা আমাকে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার জন্য সাহস যোগাবে।

এবং চিন্তা করোনা….
যখন আমার সৃষ্টিকর্তার সাথে দেখা হবে….
আমি তার কানে অবশ্যই বলবো….

তোমকে অনুগ্রহ করতে………..

কারণ তুমি তোমার বাবা-মাকে ভালবেসেছিলে………
তোমার যত্ন ও সহমর্মিতার জন্য ধন্যবাদ………
আমরা তোমাকে ভালোবাসি।।।।

আরও ভালোবাসার সাথে……

-বাবা-মা ।

(সংগৃহীত)

গোলাম আযমের শিষ্য প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী !!!

জামায়াতের সাবেক আমির যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত গোলাম আযমের এক শিষ্য সম্প্রতি বিদেশে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হয়েছেন। চারদলীয় জোট সরকারের শুভার্থী শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর ওই শিষ্যের নাম আবু রেজা নদভী। বিষয় দুটি নিয়ে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিস্ময় ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যেও। তারা জানান, নিজামী, মুজাহিদ, সাঈদী, সাকা চৌধুরী, হারিছ, মীর নাসির ও জাফরুলকে বিগত জোট আমলে নদভী নানাভাবে ব্যবহার করেছেন। কিন্তু এখন ভোল পাল্টে ধরেছেন অন্য পথ। পারিবারিক সূত্র জানায়, আবু রেজা নদভী একজন মাদ্রাসা পাস মৌলভি মাত্র। বাবার নাম মাওলানা ফজলুল্লাহ। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসা পাস করে তিনি নগরীর বহাদ্দারহাটের দারুল মা'রিফ কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। চাকরি চলে যাওয়ার পর জামায়াত নেতাদের ধরে তিনি ইসলামী ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের প্রভাষক পদে যোগ দেন। চট্টগ্রামে তিনি জামায়াতের একজন বলেই পরিচিত। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গোয়েন্দা তালিকায় জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষকতার অভিযুক্ত হিসেবে তার এনজিও আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের নামও ছিল। নদভী জামায়াতের প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতা মুমিনুল হক চৌধুরীর জামাতা। চতুর নদভী খোদ গোলাম আযমের শিষ্য। জামায়াতের সঙ্গে তার সম্পর্ক এতই গভীর যে আমির মতিউর রহমান নিজামী চট্টগ্রাম এলে নদভী তার পাজেরো গাড়িটি সার্বক্ষণিক ব্যবহারের জন্য তাকে দিতেন। জোট আমলে জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরীর এমপি হওয়ার পেছনে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল। এক প্রশ্নের জবাবে নদভী বলেন, 'আমি বাস্তবে কোনো দলের সঙ্গে জড়িত নই। তবে আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আমাকে সাতকানিয়া আসনে মনোনয়ন দিলে জামায়াতের দুর্গ ভেঙে যাবে_এ আশঙ্কায় দলটির লোকজন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।'