ভোট গ্রহণ শুরুর সাত ঘণ্টা আগে গত মধ্যরাতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। রাত পৌনে একটায় প্রথমে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আকস্মিক প্রেস ব্রিফিং করে দলটির সহসভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান এ ঘোষণা দেন। এরপর রাত দেড়টার পর নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইরে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি-সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।
তৈমুরের সংবাদ সম্মেলন: রাত দেড়টার দিকে তৈমুর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইরে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
তৈমুর বলেন, ‘আমি আমার দল বিএনপির প্রতি অনুগত। আমি কখনো আমার নেত্রী খালেদা জিয়ার অবাধ্য হইনি।’ এরপর তিনি লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান। তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, এই নির্বাচনে আমি বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী। আমার পক্ষে গণজোয়ার তৈরি হয়েছিল। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমার বিজয় অবধারিত ছিল। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সেনা মোতায়েনের দাবি করেছিলাম। নির্বাচন কমিশনও সেই মোতাবেক আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে সরকার সেনাবাহিনী না দিয়ে সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি মেরুদণ্ডহীন নির্বাচন কমিশন। সেনা মোতায়েন না করার পরও তারা পদত্যাগ করেনি। বরং তারা একটি প্রহসনের নির্বাচন করতে যাচ্ছিল। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এমন একজনকে সমর্থন দিয়েছে, যিনি নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। সাত বছর বিদেশে পালিয়ে থেকে তিনি আবার দেশে ফিরেছেন। এখন সরকার তাঁকে জয়ী করতে মরিয়া হয়ে উঠছে।’
তৈমুরের সংবাদ সম্মেলন: রাত দেড়টার দিকে তৈমুর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইরে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
তৈমুর বলেন, ‘আমি আমার দল বিএনপির প্রতি অনুগত। আমি কখনো আমার নেত্রী খালেদা জিয়ার অবাধ্য হইনি।’ এরপর তিনি লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান। তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, এই নির্বাচনে আমি বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী। আমার পক্ষে গণজোয়ার তৈরি হয়েছিল। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমার বিজয় অবধারিত ছিল। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সেনা মোতায়েনের দাবি করেছিলাম। নির্বাচন কমিশনও সেই মোতাবেক আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে সরকার সেনাবাহিনী না দিয়ে সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি মেরুদণ্ডহীন নির্বাচন কমিশন। সেনা মোতায়েন না করার পরও তারা পদত্যাগ করেনি। বরং তারা একটি প্রহসনের নির্বাচন করতে যাচ্ছিল। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এমন একজনকে সমর্থন দিয়েছে, যিনি নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। সাত বছর বিদেশে পালিয়ে থেকে তিনি আবার দেশে ফিরেছেন। এখন সরকার তাঁকে জয়ী করতে মরিয়া হয়ে উঠছে।’



