সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১১

পরিমল নাউ ইন শ্রীমঙ্গল !!!

'আমি স্কুলে গেছি। যাওয়ার পরে ম্যাডামে সমাজবিজ্ঞান পড়াইয়া গেছইন গি। বিনয় স্যারে আমরার অঙ্ক লইতাছইন। তারপরে তাইনে কইছইন আমারে চক আনাত যাইতে। আমি অফিসে গেছি চক আনাত, স্যার আমার পিছন পিছন গেছইন। গিয়া বইসা আমারে ধারে নিয়া এইভাবে এইভাবে এইভাবে (শরীরের বিভিন্ন অংশ দেখিয়ে) সারা শরীর টিপাইছইন।...' তৃতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রী অবলীলায় তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনাটির বর্ণনা দেয় ঠিক এভাবেই।

শ্রীমঙ্গলের সিন্দুরখান ইউনিয়নের লাহারপুর গ্রামে অবস্থিত ওই চানমারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিনয় ভূষণ দেব গত ১৬ নভেম্বর তাঁর অফিস কক্ষে ঘটনাটি ঘটান।

courtesy:samublog.

বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১১

আপনিও অংশগ্রহণ করুন এই ইভেন্ট এ.......

আমরা আমাদের এই ছোট দেশটাকে অনেক ভালবাসি। কিন্তু কজনই বা দেখাতে পারি? যদি বলি আমরা চাইলেই পারি! কিভাবে? খুব ছোট্ট একটা কাজ করে। সেটা হলঃ আগামী ১৫ ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০০ টা থেকে ১৬ ডিসেম্বর রাত ১২:০০ টা পর্যন্ত আমরা আমাদের ফেসবুক প্রোফাইল এ ব্যক্তিগত ছবির পরিবর্তে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ছবি ব্যবহার করব। দেশকে যে আমরা মায়ের মত ভালোবাসি, আসুন তা বাকী দুনিয়াকে দেখিয়ে দিই।

ভাবুন তো একবার! পুরো ফেসবুকের বাংলাদেশী প্রোফাইল গুলোতে শুধু লাল-আর সবুজে ছেয়ে যাবে! ভাবতেই কেমন লাগছে না??? নিশ্চয়ই বাংলাদেশী হিসেবে নিজের কাছেই গর্বে ফুলে ঊঠবে আপনার বুক?

কিন্তু এজন্য আপনাদের সহযোগীতা প্রয়োজন। আশা করি এই ইভেন্টে আপনারা সবাই যোগ দেবেন, এবং নিজেদের ফ্রেন্ডলিস্টের সকল বন্ধুকে এ ইভেন্ট এ অংশগ্রহন করার জন্য অনুরোধ করবেন।

বাংলাদেশে এখন ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা আনুমানিক ১.৭ মিলিয়ন, আমরা আশা করি অন্তত অর্ধেক সংখ্যক ব্যবহারকারী এই ইভেন্ট এর কথা জানবে এবং এতে অংশগ্রহন করবে। এ জন্য সবার আন্তরিক সহযোগিতা কাম্য।

নিচে 'SHARE" অপসন এ ক্লিক করে পোস্টটি আপনার ওয়ালে "SHARE" করুন,এটা করা আমাদের সবার কর্তব্য, আপনি কাজটি করেন ও অন্যকে করতে সহযোগিতা করেন ।

একাত্তরের সাকা ভয়ংকর !!! ( আমলনামা :- একটু ধৈর্য সহকারে পড়ুন অনেক ইতিহাস জানা হয়ে যাবে)

চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার রামজয় মহাজন লেনের বাসিন্দা মতিলাল চৌধুরী ও শান্তি কুসুমের সন্ধান গত ৪০ বছরেও মেলেনি। তাঁদের ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর (সাকা চৌধুরী) বাড়ি গুডহিলে। একই সঙ্গে ধরে নেওয়া হয় সুনীলসহ আরো ছয়জনকে। এর মধ্যে মতিলাল চৌধুরীর কর্মচারী সুনীলকে ছেড়ে দেওয়া হয় মারাত্মক আহত অবস্থায়। কিন্তু মতিলাল, শান্তি কুসুমসহ অন্য ছয়জনের সন্ধান আজও মেলেনি। তদন্ত সংস্থার ধারণা, মতিলালসহ ছয়জনকে নির্যাতন করে হত্যার পর তাঁদের লাশ গুম করা হয়েছে।
শুধু মতিলাল বা শান্তি কুসুম নয়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত মাত্র পাঁচ মাসে রাউজানসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে কমপক্ষে ৪৩৭ ব্যক্তিকে হত্যার সঙ্গে সাকা চৌধুরী জড়িত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে রাউজানের শাকপুরা, ঊনসত্তরপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। শুধু রাউজানেই ৯টি গণহত্যা চালানো হয়েছে। সাকা চৌধুরীর উপস্থিতি ও নির্দেশে তাঁর সহযোগীরা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে এসব গণহত্যা চালায়। মূলত হিন্দু সম্প্রদায় ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের নিশ্চিহ্ন করার জন্যই এসব হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে তথ্য পেয়েছে তদন্ত সংস্থা।মুক্তিযুদ্ধকালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে সদর এবং নিজের এলাকা রাউজানে সাকা চৌধুরী মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অপরাধ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে ৩২টি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব অপরাধের সঙ্গে সাকা সরাসরি যুক্ত ছিলেন। একাত্তর সালে সাকা চৌধুরীর চট্টগ্রাম শহরের বাসভবন 'গুডহিল'কে টর্চার সেন্টার করা হয়। সেখানে ক্রমাগতভাবে শহরের মুক্তিযোদ্ধা, হিন্দুধর্মের লোকজন, শিল্পী-সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও নারীদের ধরে এনে নির্যাতনের পর হত্যা করা হতো। শুধু তাই নয়, সাকার নিজের এলাকা রাউজানের ডা. নূতন চন্দ্র সিংহ ও মধ্য গহিরার ডা. মাখন লাল শর্মাসহ গহিরা বিশ্বাসপাড়া, জগৎমল্লপাড়া, ঊনসত্তরপাড়াসহ হিন্দু অধ্যুষিত পুরো এলাকা আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ভীত-সন্ত্রস্ত হিন্দু সম্প্রদায় যখন নিজেদের জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করেছে, ঠিক তখন সাকা চৌধুরীর সহযোগী আবু মাবুদসহ দুই ব্যক্তি রাউজানের গহিরার জগৎমল্লপাড়ায় কিরণ বিকাশ চৌধুরীর বাড়িতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের জড়ো করে। শান্তি কমিটির সভা করার জন্য সেখানে তাদের জড়ো করা হয়। শান্তি কমিটির সভায় যোগ দিলে যদি জীবন বাঁচে_এ আশায় তারা যোগ দেয় কিরণ বিকাশের বাড়ির সভায়। লোক জড়ো হওয়ার পর বিষয়টি জানানো হয় সাকা চৌধুরীকে। এর কিছুক্ষণ পর সাকা চৌধুরী পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে হাজির হন। এর পর পাকিস্তানি সেনারা ব্রাশফায়ার চালায়। ঘটনাস্থলেই তেজেন্দ্র লাল নন্দী, সমির কান্তি চৌধুরী, কিরণ বিকাশ চৌধুরীসহ ৩২ জন নিহত হন। পরে নিহতদের ওই বাড়ির উঠানেই গণকবর দেওয়া হয়। মারা যায় ৩২ জন। ১৯৭১ সালের ১৩ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে ঘটানো হয় এ গণহত্যা। একই দিন বিকেল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে রাউজানের ঊনসত্তরপাড়ায় চালানো হয় গণহত্যা। সাকা চৌধুরীর উপস্থিতিতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ব্রাশফায়ারে চরণ পাল, বাবুল মালীসহ ৭০ জনকে হত্যা করে। হিন্দু সম্প্রদায়কে নিশ্চিহ্ন করার জন্য এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। জানা যায়, হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ এলাকায় থাকবে কি থাকবে না, এমন অবস্থার মধ্যে একই এলাকার ক্ষিতিশ চন্দ্র মহাজনের বাড়ির পেছনে পুকুরপাড়ে ডাকা হয় শান্তি কমিটির সভা। এলাকার লোকজন সেখানে উপস্থিত হওয়ার পর সাকা চৌধুরীসহ পাকিস্তানি সেনারাও হাজির হয়। সভার শুরুতেই সাকার সহযোগীরা গালাগালি শুরু করে। একপর্যায়ে সেনাবাহিনী ব্রাশফায়ার করে। এতে ৭০ জনের বেশি ব্যক্তি নিহত হয়। তবে তদন্ত সংস্থা ৫০ জনকে শনাক্ত করতে পেরেছে বলে জানা গেছে। হত্যার পর সেখানেই নিহতদের গণকবর দেওয়া হয়। ট্টগ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে সবচেয়ে বর্বর হত্যাকাণ্ড ঘটে রাউজানের শাকপুরা গ্রামে। এখানকার হিন্দু ও মুসলমানদের এক জায়গায় করে গণহত্যা চালানো হয়। এ গ্রামে হিন্দু-মুসলমান মিলে তিন শতাধিক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। তবে নিহতদের মধ্যে ফয়েজ আহমেদ, আলাল আহমেদ, আহাম্মদ ছফা, নিকুঞ্জ শীলসহ ৫২ জনকে শনাক্ত করা গেছে বলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জানা যায়, পাকিস্তানি বাহিনীর আসার খবর পেয়ে এলাকার হিন্দু-মুসলমানরা শাকপুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে জঙ্গলে আশ্রয় নেয়। পরে পাকিস্তানি সেনারা সেখানে ব্রাশফায়ার চালায়। এতে তিন শতাধিক ব্যক্তি নিহত হয় ।

শুধু গ্রামের নিরীহ ব্যক্তিদের হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি সাকা চৌধুরী, হানাদার ও তাদের দোসররা। পথচারীদের ধরে এনেও নির্যাতনের পর হত্যা করা হয় ।একাত্তরের ১৭ এপ্রিল চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ মোজাফফর আহমেদ ও তাঁর ছেলে শেখ আলমগীরকে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কের হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড থেকে ধরে স্থানীয় সেনাক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নির্যাতন চালিয়ে তাঁদের হত্যা করা হয়।
১৩ এপ্রিল রাউজানের মধ্য গহিরার হিন্দুপাড়ায় সাকা চৌধুরীর উপস্থিতিতে আরেকটি গণহত্যা চালানো হয়। এদিন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে ডা. মাখন লাল শর্মার বাড়িতে পাকিস্তানি সেনারা হামলা চালিয়ে পাঁচজনকে হত্যা করে।
একই দিন সকাল সাড়ে ৮টার পর গহিরার বিশ্বাসপাড়ায় গণহত্যা চালানো হয়। এখানে দয়াল হরিসহ পাঁচজনকে ব্রাশফায়ারে হত্যা করা হয়। হত্যার পর সেখান থেকে চলে যাওয়ার আগে লুটপাট করা হয়। এরপর বিভিন্ন হিন্দু বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
একই দিন দুপুর ১টার দিকে রাউজানের সুলতানপুরের বণিকপাড়ায় নেপাল চন্দ্র ধরসহ চারজনকে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর সাকা চৌধুরী সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয় ।

সাকা চৌধুরী ও তাঁর সহেযোগীদের বিরুদ্ধে ১০ মে ঘাসি মাঝিরপাড় এলাকায় নুরুল আলম, আয়েশা খাতুন, জানে আলম ও আবুল কালামকে হত্যা করার অভিযোগ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা। এ জায়গা থেকে সাকা চৌধুরীর নেতৃত্বে তাঁর সহযোগীরা পাঁচ নারীকে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে তুলে দেয়। সেখানে তাঁদের ধর্ষণ করা হয় ।ছাড়া রাউজানের সুলতানপুরে ৫ মে বিজয় কৃষ্ণ চৌধুরীসহ তিনজনকে জবাই করে হত্যা, গহিরার নূতন চন্দ্র সিংহ, রাউজান থানার কদুরখিল হিন্দুপাড়ার শান্তি দেব, রাউজানের কর্তার দিঘিরপাড় এলাকার মো. হানিফকে অপহরণ করে হত্যা, একই থানার সতীশ চন্দ্র পালিতকে হত্যা, চট্টগ্রামের ওয়াজেদ মিয়াকে অপহরণ করে হত্যা, মাহবুব আলমকে হত্যা, বোয়ালখালীর এখলাস মিয়াকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা। এর মধ্যে সতীশ চন্দ্রের মরদেহ পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়।

এসব হত্যাকাণ্ড ছাড়াও সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য মো. সালেহউদ্দিনকে চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার মোহরার গ্রাম থেকে অপহরণ করে ১৫ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত নির্যাতন করা হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্যরা তাঁকে ছাড়িয়ে নিলে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার হাজারী লেনের জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর বাড়িতে নিজামউদ্দিনসহ সাতজনকে নির্যাতন করা হয়। পরে নিজামউদ্দিনকে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ডাবলমুরিং থানার সদরঘাটের নুরুল আনোয়ার চৌধুরীসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে সাকার বাড়ি গুডহিলে নির্যাতন করার অভিযোগ রয়েছে তদন্ত সংস্থার কাছে।
হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতনের অভিযোগের পাশাপাশি রাউজানের ডাবুয়া গ্রামের মানিক ধরের বাড়িসহ বিভিন্ন এলাকার হিন্দু বাড়িতে লুটপাটের অভিযোগও রয়েছে সাকা চৌধুরী ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১১

সব ব্যস্ততা গরুকে ঘিরে । ( এই আমাদের বাঙ্গালীর ঈদ শত সমস্যার ভিড়েও এর মাঝেই আমরা আমাদের সব সুখ খুঁজে পাই )

দল বেঁধে হাটে যাওয়া। দরাদরি করে গরু কেনা। প্রিয় গরুর গলা-সিনায় রঙবেরঙের মালা পরানো। গরুর সাথে যুদ্ধ করতে করতে বাড়ি ফেরা। সারাপথে দামসংক্রান্ত উৎসুক জনতার প্রশ্নের জবাব দেয়া। দড়ি ছিঁড়ে বা হাত ফসকে ভোঁদৌড় দেয়া গরুর পেছনে মাইলের পর মাইল দৌড়ানো। সবই যেন ঈদ আনন্দেরই অংশ। রাজধানীবাসীর মধ্যে গতকাল দেখা গেছে ঈদের আগেই ঈদের খুশি। সব ব্যস্ততা ছিল কোরবানির পশুকে ঘিরে।
কেবল আনন্দ নয়, জ্বালাও দিয়েছে এই গরু। গরুর হাটগুলো নির্ধারিত মাঠ ছেড়ে উঠে এসেছে রাস্তায়। সৃষ্টি করেছে তীব্র যানজটের। ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আশপাশের বাসিন্দাদের। হাটে এবং বাড়িতে নেয়ার পথে গরু দ্বারা আহত লোকের সংখ্যাও কম নয়। আর যারা ছুটে যাওয়া গরুর পেছনে মাইলের পর মাইল দৌড়িয়েছেন তাদের অবস'া তো বলার অপেক্ষাই রাখে না। আবার মহাসড়কে যানজটের কারণে যেসব গরুবাহী ট্রাক মাঝ-রাস্তা থেকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে সেসব বেপারীদের দুর্ভাগ্যের কথা থেকে যাচ্ছে অব্যক্তই।